এক জন মুম্বই থেকে ফিরেই রাত অবধি শুট করে সক্কাল সক্কাল সাক্ষাৎকারের জন্য রেডি। অন্য জন তাঁর পুজোর ছবি নিয়ে টেনশন করছেন। মিমি চক্রবর্তী আর অঙ্কুশ। এ বার পুজোয় তাঁদের অফলাইন কেমিস্ট্রির জয়জয়কার।


অঙ্কুশ আসছিস না কেন? সাহস কম নয় তো!
মেঘ মেঘ শর্ট ড্রেসে হইচই শুরু করেছেন মিমি। এক বার গরম জল, আর এক বার তাঁর স্পেশাল ‘সঞ্জীবনী বুটি’ খাচ্ছেন।
এ রকম একটা সময় অঙ্কুশের ‘হিরো সুলভ’ এন্ট্রি। মিমির কথায় এক সময় কমলালেবু আর ডিম সেদ্ধ খেয়ে, জিম করে নিজেকে আরও ঝকঝকে স্মার্ট করে ফেলেছেন অঙ্কুশ।
সাক্ষাৎকার শুরু করার আগেই শুরু হল খুনসুটি...(সবটা লেখা যাবে না)


বাজারে একটা গসিপ ছড়িয়েছে। অঙ্কুশ ঐন্দ্রিলাকে ছেড়ে মিমির দিকে। এটা কি আপনাদের ছবি ‘ভিলেন’-এর প্রমোশনের জন্য ছড়ানো হল?
মিমি: আমি তো এই মাত্র শুনলাম। তবে অঙ্কুশ কিন্তু আমায় রোজ না দেখে থাকতে পারে না। আমি আর ও একসঙ্গে থাকি।
অঙ্কুশ: মিমির দিকে তাকিয়ে গান গেয়ে ওঠেন। আরে ওর জন্য গ্যাংটকে বাড়ি কিনেছি আমি। এই গরম মেয়েকে তো ঠান্ডা জায়গায় রাখতে হবে!
( প্রশ্ন করার আগেই অঙ্কুশের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন মিমি)
মিমি: আমি নর্থ বেঙ্গলের মেয়ে। তুই গ্যাংটকে বাড়ি কেনার গল্প দিচ্ছিস!


অঙ্কুশ আপনি তো কিছু বলছেন না...
অঙ্কুশ: ইয়েস আই লাভ হার।
তা হলে ঐন্দ্রিলার কী হবে?
অঙ্কুশ: এর মধ্যে ঐন্দ্রিলা কোথায়? আমরা তো ‘ভিলেন’ নিয়ে কথা বলব।